চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk:শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: ভালো হবে ‘গানের গলা’! এমনই উপদেশ দিতেন গানের শিক্ষক। সেই মতোই গলা সারতে খেয়ে নিতেন স্যারের দেওয়া ঔষধ! এই কথাতেই ভুলিয়ে অষ্টম শ্রেণির নাবালিকা ছাত্রীকে প্রথমে ওষুধ খাইয়ে আচ্ছন্ন করা এবং তার পর ধর্ষণের অভিযোগ উঠল গানের শিক্ষককের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছে সেই ‘গুণধর’ শিক্ষক। তবে শুধু গানের শিক্ষক নয়, এই ঘটনায় তার দোসর ছিল গ্রামের ‘মোড়ল’ জগদীশ জানা। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানা এলাকার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত গানের শিক্ষকের নাম বনমালী বেরা। বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। এ ঘটনায় দাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার মা। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গানের শিক্ষককে গ্রেফতার করে ঘাটাল আদালতে তোলা হয়। ধৃতের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তবে বিচারক তাকে ৪ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পকসো-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। এখনও পলাতক জগদীশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা গত কয়েকদিন ধরেই বাড়ির কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলছিল না। সেই সময়েই তাকে মামাবাড়িতে হাওয়া বদলের জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। সঙ্গে ছিলেন তার মাও। সেখানে গিয়েই মাকে গানের স্যরের কুকীর্তি নিয়ে অভিযোগ করে নাবালিকা। তারপর এই পরিবারের পক্ষ থেকে দাসপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে ছাত্রীরা যদি দিনের পর দিন এ ধরনের লালসার শিকার হয় শিক্ষকের তাহলে কিভাবে শিক্ষা দান হবে। মধ্যেই এই ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সমাজ মহলে।