ad
ad

Breaking News

Gold Theft Case

হিলি সোনা কেলেঙ্কারি: কাস্টমস ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে কঠোর রায়, আজীবন কারাদণ্ড

কাস্টমস বিভাগীয় নিয়ম মেনে তিনি এই সোনা নিজের অফিসের আলমারির ভিতর একটি স্টেইনলেস স্টিলের বাক্সে সংরক্ষণ করেন।

Gold Theft Case: Former Hili Customs Inspector Sentenced

চিত্র: সংগৃহীত

বিশ্বদীপ নন্দী, বালুরঘাট: হিলি কাস্টমসের সোনা গায়েব মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন তদানীন্তন কাস্টমস ইন্সপেক্টর বালাদিত্য বারিক। ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর হিলি থানায় অভিযোগ দায়ের করে তিনি জানান, সেই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিএসএফ উদ্ধার করেছিল ৭টি সোনার বিস্কুট। এগুলির ওজন ছিল ৮১৬.৩৬০ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। কাস্টমস বিভাগীয় নিয়ম মেনে তিনি এই সোনা নিজের অফিসের আলমারির ভিতর একটি স্টেইনলেস স্টিলের বাক্সে সংরক্ষণ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ইন্সপেক্টর বালাদিত্য বারিক অভিযোগ দায়েরের আগে কিছুদিন ছুটিতে যান। ছুটি কাটিয়ে কাজে ফিরে এসে আলমারি খুলে দেখেন- যে স্টেইনলেস স্টিলের বাক্সে সোনা রাখা ছিল, তা উধাও। এরপরই তিনি হিলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে পুলিশ দেখতে পায়, অভিযোগকারী নিজেই সোনা গায়েবের সঙ্গে যুক্ত। এরপর তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে।

এই মামলার শুনানি চলছিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতের এডিজে ফার্স্ট কোর্টে বিচারপতি সন্তোষ কুমার পাঠকের এজলাসে। গতকাল বিচারক দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বালাদিত্য বারিককে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। আজ সাজা ঘোষণা করে বিচারক তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। জেলা সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী জানান, ছুটি থেকে ফিরে এসে সোনা উধাও দেখার দাবি করলেও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, অভিযোগকারীই মূলত এই অপরাধে জড়িত ছিলেন। আদালতের রায়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।