Bangla Jago Desk: কালিয়াগঞ্জের পার্বতীসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজন করা হয় পুজো। এলাকার মহিলারা সেই দুর্গা পুজোর আয়োজন করে। উত্সব মিটে গেলেও মাঠ পরিষ্কারে উদ্যোগ নেননি পুজো উদ্যোক্তারা। যারজন্য মাঠে জমা হয়েছে আবর্জনা,খানাখন্দে ভরে গেছে ময়দান। তাই এখন খেলাধূলার অসুবিধা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের অসুবিধার কথা আমাদের কাছে জানার পর পুরপ্রশাসন আশ্বস্ত করেছে,মঙ্গলবারের মধ্যে মাঠ পরিস্কার করে দেওয়া হবে।
কালিয়াগঞ্জের পার্বতীসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠেই আয়োজন করা হয়েছিল দুর্গাপুজোর। পুজো উপলক্ষে মাঠেই বসেছিল মেলা। দূর –দূরান্তের মানুষ এই মেলায় অংশ নেন। উত্সবের আবহ মেটার পর আশা করা হয়েছিল পুজো উদ্যোক্তারা এই মাঠ পরিষ্কার করে দেবেন। এখনও সেই সবুজ ময়দান খানাখন্দে ভরা, জমেছে দেদার জঞ্জাল।
প্লাস্টিকের বোতল থেকে নানান অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ময়দানের খোলামেলা আবহকে দূষিত করেছে। পরিবেশ দূষণের অভিযোগ করে সরব হচ্ছেন এলাকাবাসী। একদিকে,প্রবীণদের মর্নিং ওয়াকে অসুবিধা হচ্ছে,আর অন্যদিকে খানাখন্দ থাকায় ফুটবলারদের খেলাধূলায় অসুবিধা হচ্ছে।সাধারণ মানুষের স্বার্থে তাই পরিচ্ছন্ন ময়দান ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে।আমাদের ক্যামেরার সামনে সবুজ ময়দানের শ্রী নষ্ট হওয়ার ছবি ধরা পড়ে।
পার্বতীসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ময়দানের বেহাল দশা দেখে ক্ষুব্ধ মানুষদের প্রশ্ন, পুজো মিটে গেলেও কেন মাঠের এই বিশ্রী দশা। কেন এলাকাবাসীকে মাসুল গুণতে হবে ? পুজো আয়োজকদের মতোই বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতিও পুরপ্রশাসন এই বিষয়টি দেখুক,দাবি তোলেন এলাকার মানুষ। পুরপ্রশাসন বিষয়টি আমাদের কাছ থেকে জানার পর কথা দেন,মাঠের শ্রী ফিরিয়ে আনা হবে।মসৃণ করা হবে ময়দান।স্বচ্ছ অভিযান শুরু করার কথা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পুরসভা। রাজ্য সরকারের মতোই পুরপ্রশাসনও খেলাধূলার সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রাখতে যে সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে তাও তিনি স্পষ্ট করেন।