ad
ad

Breaking News

Kapilmuni Ashram

Kapilmuni Ashram: ভরা কোটালে জলস্ফীতি, গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে ঢুকছে সমুদ্রের জল

পূর্ণিমার ভরা কোটাল এর জেরে উত্তাল সমুদ্র থাকার কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উপর মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

kapilmuni-ashram-gangasagar-flood-threat-coastal-crisis

চিত্রঃ নিজস্ব

Bangla Jago Desk: উত্তাল বঙ্গোপসাগর। প্রবল জলোচ্ছ্বাসে উপছে পড়ছে নদী বাঁধ। কপিলমুনির মন্দিরের (Kapilmuni Ashram) সামনে নদী বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  নদী বাঁধ উপছে গঙ্গাসাগর মেলা গ্রাউন্ডে ঢুকছে জল। উপকূলবর্তী এলাকার এই বিপদজনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের মানুষ কেন্দ্রীয় সহায়তা চায়। নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে বেশ কয়েকদিন ধরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

[আরও পড়ুনঃ Freedom Fighters: এমন ভুলে যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই]

শুক্রবার থেকেই   উপকূলবর্তী এলাকার আবহাওয়ার একটু উন্নতি হয়েছে। কিন্তু পূর্ণিমার ভরা কোটালে আতঙ্ক আরও বেড়ে গেছে। একের পর এক ঢেউয়ে তছনছ হয়ে যাচ্ছে মাটির নদী বাঁধ। গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সমুদ্র সৈকতের মাটির নদী বাঁধ ঘূর্ণিঝড় শক্তির সময় গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সমুদ্র সৈকতের মাটির নদী বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছিল। সেই ফাটল থেকে হু হু করে ঢুকেছিল জল। এবার বঙ্গোপসাগরের পূর্ণিমার ভরা কোটালে বঙ্গোপসাগরে জলস্ফীতি দেখা দিয়েছে প্রবল জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।(Kapilmuni Ashram)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial/]

পূর্ণিমার ভরা কোটাল এর জেরে উত্তাল সমুদ্র থাকার কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উপর মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে   জলোচ্ছ্বাসের কারণে পর্যটকদের সমুদ্র স্নানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে মৌসুনির পাঁচু গোপালের খেয়া ঘাটের ফেরি পরিষেবা। যে কারণে সমস্যায় পড়েছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।(Kapilmuni Ashram)

 তাঁদের প্রায় আধ ঘন্টা ঘুরপথে গিয়ে অন্য খেয়াঘাট থেকে নদী পারাপার করতে হচ্ছে। মূলত মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েত বিচ্ছিন্ন একটি ব-দ্বীপ হওয়ার কারণে বাসিন্দারা অসহায় পড়ে পড়েছেন।  এই এলাকার বাসিন্দাদের নামখানা সহ বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার জন্য চিনাই নদী পারাপার করতে হয়। নদী পারাপারের জন্য এই পঞ্চায়েত এলাকায় মোট ছয়টি খেয়া ঘাট রয়েছে। তার মধ্যে একটি খেয়াঘাট এখন বন্ধ রয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ঘাট থেকে প্রতিদিন কয়েকশো মানুষ পারাপার হন। এছাড়াও ওই ঘাটের কাছে একটি মন্দির রয়েছে। ওই মন্দিরে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর মানুষ এসে পুজো দেন। তাঁরাও সমস্যায় পড়েছেন।(Kapilmuni Ashram)