ad
ad

Breaking News

Sundarbans

সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের উপরে ৬ দিনের মাছ ধরতে না যাওয়ার নির্দেশ জারি ,দুশ্চিন্তায় মৎস্যজীবীরা

আগামী ১৭ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই ও ২৪ শে জুলাই থেকে ২৬ শে জুলাই ২ দফায় এই মহড়া জন্য মৎস্যজীবীদের ৬ দিন সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। যার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মৎস্যজীবীরা

Fishermen in Sundarbans have been ordered not to go fishing for 6 days, fishermen are worried

নিজস্ব ছবি

Bangla Jago Desk,জাহেদ মিস্ত্রী,দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এ যেন মড়ার উপরে খাঁড়ার ঘা, একে বহুদিন মাছ ধরতে না যাওয়া, বৃষ্টি না হওয়ার কারণে মাছ না পাওয়া,নানান সমস্যায় ভুগছে মৎস্যজীবীরা। তার উপরে ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানিজেসন (ডিআরডিও)-র বিমান মহড়া (ফ্লাইট টায়াল) জন্য আগামী ১৭ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই ও ২৪ শে জুলাই থেকে ২৬ শে জুলাই ২ দফায় এই মহড়া জন্য মৎস্যজীবীদের ৬ দিন সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। যার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মৎস্যজীবীরা ।

উল্লেখ্য ১৫ তারিখ থেকে বিএনপিরিয়ড কাটিয়ে তারা গভীর সমুদ্রে মৎস্য শিকার করতে গেল এই কিছুদিনের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসার কারণে নদী উত্তর থাকায় তেমনভাবে কোন ট্রলারের মৎস্যজীবী কিংবা মালিক রূপালী শস্য কিংবা যা খরচা বহন করে তারা এই মৎস্য স্বীকার করতে যায় তার কিঞ্চিত মাত্র লাভ করতে পারেনি। তারপরেও তবুও মৎস্য শিকারের উদ্দেশ্যে তারা রওনা দিয়েছে, তারপরেই এই ছ দিন ধরে যদি মৎস্য স্বীকার করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে । কিভাবে তাদের সংসার চলবে কিংবা কোন ট্রলার মালিক যে টাকার এই মৎস্য শিকারের উদ্দেশ্যে ট্রলার গুলোতে টাকা লাগিয়েছে তারা কিভাবে টাকা তুলবে দুশ্চিন্তায় ভুগছে মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে এই মৎস্যজীবী ট্রলারের মালিকেরা।

এই বিষয়ে কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান সিজনে শুরুতেই তেমন একটা ভালো মাছ হয়নি বা মৎস্যজীবীরা মৎস্য শিকার করতে পারেনি। তার মধ্যেই আবারো এই ছয়দিনের যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এতে মৎস্যজীবীদের খুব সমস্যায় পড়তে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।তিন আরও বলেন যদিও প্রশাসন আগে থেকে এই নিচের আগ্গার জারি করতো তাহলে হয়তো ভালো হতো বলে তিনি জানান।