চিত্র- সংগৃহীত
AK Bangla Desk: বৈদ্যুতিক স্কুটারের (Electric Scooter) শোরুমে আচমকা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়াল পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড়ে। মঙ্গলবার সকালে পানাগড়ের অত্যন্ত ব্যস্ততম দার্জিলিং মোড় সংলগ্ন এলাকার ওই শোরুমে হঠাৎই আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে শোরুমের ভেতর থেকে ধোঁয়ার ঘন কালো কুণ্ডলী বেরোতে শুরু করে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পথচলতি মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে তড়িঘড়ি খবর দেন দমকল বিভাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। দমকলকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আনা সম্ভব হলেও সম্পূর্ণ নিভতে বেশ কিছুটা সময় লাগে।
যে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি একটি তিনতলা বহুতল। ওই ভবনের একতলায় রয়েছে বৈদ্যুতিক স্কুটারের শোরুমটি এবং উপরতলায় রয়েছে একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। জানা গিয়েছে, সকালে ওই বহুতলের তিনতলার বাসিন্দারা প্রথম শোরুম থেকে কালো ধোঁয়া গলগল করে বেরোতে দেখেন। কাকতালীয়ভাবে, অগ্নিকাণ্ডের সময় সকালে শোরুমটি বন্ধ ছিল এবং ওপরের স্কুলেও কোনো পড়ুয়া বা শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন না। যার ফলে এক বিরাট বড়সড় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভবনের ওপরের তলাগুলিতে বিশেষ কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও শোরুমটির বিপুল ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের তাণ্ডবে শোরুমের ভেতরে থাকা অধিকাংশ দামি বৈদ্যুতিক স্কুটার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে ঠিক কীভাবে এই আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ প্রসঙ্গে দমকলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, “আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর আমাদের অনুমান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই হয়তো এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে।” পুলিশ ও দমকল বাহিনী পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।