ad
ad

Breaking News

ED Raids

বালি পাচারের কাণ্ডে গতি, শহরে ও জেলার একাধিক জায়গায় ইডি তল্লাশি

সোমবার ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একাধিক টিম রওনা দেয়। কলকাতার বেহালার একটি ঠিকানায় হানা দেন ইডি কর্তারা।

ED Raids in Sand Smuggling Case Across West Bengal

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: গরু পাচার,কয়লা পাচারের পর বালি পাচারের কিনারা করতেও ফের তৎপর হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আরও একটি মামলার তদন্তে নেমে কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় হানা দিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা (ED Raids)। সোমবার ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একাধিক টিম রওনা দেয়। কলকাতার বেহালার একটি ঠিকানায় হানা দেন ইডি কর্তারা।

[আরও পড়ুন: Mysterious Death: খেজুরির মৃত্যু মামলা: রিপোর্ট পেশ করল পুলিশ, প্রশ্নের মুখে তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা]

একইসঙ্গে রিজেন্ট কলোনির একটি ঠিকানাতেও তল্লাশি চলে।সল্টলেক,টালিগঞ্জের একাধিক জায়গাতেও তল্লাশিচালান কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। অরুণ শ্রফ নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি করেন তাঁরা। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে এক ব্যক্তির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা।

জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ রাজ্যের ২২টি জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের স্ক্যানারে ছিল বালিখাদানের মালিকও ব্যবসায়ীরা। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের জাহিরুল শেখেরবাড়ি থেকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ১২ লক্ষ টাকা। সুবর্ণরেখা নদীর পারে তিনতলা বাড়িতে চলে টানা তল্লাশি অভিযান। ঝাড়গ্রাম জেলায় মোট ৬টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালান তদন্তকারীরা (ED Raids)। বালি ব্যবসার টাকা বিমায় খাটানোরঅভিযোগ মেলায় বিমা অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ইডি সূত্রে খবর, রবিবার মধ্যরাতেই একাধিক জায়গায় রওনা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়ার বেশ কয়েকটি ঠিকানাতেও গোপনে খানা তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। এই বালি পাচার কীভাবে চলত? কারা কারা জড়িত এই বেআইনি কাজে?এই বিষয়গুলি ইডি-র কর্তারা খতিয়ে দেখছেন।একাধিকবার এই বিষয়ে অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ঘটনার তদন্তেই গতি বাড়াল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

[আরও পড়ুন: Farmer Welfare: পাড়ায় সমাধানে কর্মসূচীর অভূতপূর্ব সাড়া, রামনগরে কৃষকদের পাশে প্রশাসন]

পাশাপাশি,বালি পাচার রুখতে রাজ্য সরকারও নজরদারি বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সেচ দফতর আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। তৈরি হয়েছে টাস্ক ফোর্স। পুলিশি নজরদারিরবেড়াজালের ফাঁক দিয়ে বেআইনি ভাবে হাওড়ার রূপনারায়ণ এবং দামোদর নদ থেকেও বালি পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এক শ্রেণির অসাধু বালি মাফিয়ার জন্য রাজস্ব হারাচ্ছে রাজ্য সরকার (ED Raids)। তাই বালিচুরি রুখতে পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি বালি তোলার ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়াতেও কড়াকড়ি করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার মতোই রাজস্ব ক্ষতি রুখতে রাজ্য প্রশাসনও সজাগ রয়েছে।তার মাঝে বালি পাচারের শিকড়ে পৌঁছাতে ইডি-র তৎপরতা বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।