চিত্রঃ নিজস্ব
Bangla Jago Desk: মানব সমাজের মহা-বিপদ হল প্ল্যাস্টিক। প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার কমাতে প্রশাসন প্রচার করছে।নিষিদ্ধ করা হয়েছে প্ল্যাস্টিকের প্যাকেট। যেসব সংস্থা ৪০ মাইক্রনের কম ঘনত্বযুক্ত প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরি করছে, তাহাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবারও নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে। পরিসংখ্যান বলছে দেশে প্রতি দিন গড়ে প্রায় ২৬০০০ টন প্লাস্টিক উৎপন্ন হয়। যার মধ্যে প্রায় ১০০০০ টনই সংগৃহীত হয় না।(West Midnapore)
২০১৬ সালের প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থা আইনের মাধ্যমে বলা হয়, প্লাস্টিক বর্জ্য ভাগ করা, সংগ্রহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিতে হবে প্রশাসনকে।প্রশাসনের পথেই সচেতনতার পাঠ দিতে এগিয়ে এলেন পঃমেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির এক শিক্ষক। পরিবেশের কথা মাথায় রেখে তিনি কাগজ দিয়ে ব্যাচ তৈরি করছেন। শুধু কাগজের ব্যাচ তৈরি করছেন না,রঙিন সেই ব্যাচ বিক্রি হচ্ছে হটকেকের মতো।(West Midnapore)
[আরও পড়ুনঃ Train Blasts: ২০০৬ মুম্বাই ট্রেন বিস্ফোরণ: ১২ বেকাসুর খালাসের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মহারাষ্ট্র এটিএস]
যা করছেন জানলে অবাক হবেন আপনিও। শুধু পরিবেশ বাঁচানো উদ্দেশ্য তা নয় অন্যদিকে সকল কে দিচ্ছেন স্বনির্ভর হওয়ার ভাবনা। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্যাচ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিভিন্ন আগত অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার জন্য ব্যাচের ব্যবহার হয়। এই ধরনের ব্যাচ বাজারে স্বল্প মূল্যে কিনতে পাওয়া যায় তবে তাতে যে সমস্ত উপকরণ ব্যবহার হয় যা পরিবেশের ক্ষতি করে। তবে প্রায়ই এক বছর ধরে এক যুবক নিজের বাড়িতে তৈরি করছেন ব্যাচ আর্ট পেপার কেটে তাকে বিভিন্ন আকৃতিতে ব্যাচ তৈরি করছেন। দিনের পর দিন চাহিদাও রয়েছে বেশ।(West Midnapore)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির বাসিন্দা পেশায় গৃহ শিক্ষক সুধাংশু চিংড়ি প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে, মানুষের চাহিদা মত বিভিন্ন ধরনের ও বিভিন্ন সাইজের ব্যাচ তৈরি করে দিচ্ছেন। সুধাংশু বিভিন্ন রংবেরঙের আর্ট পেপার দিয়ে তৈরি করছেন এই ব্যাচ অনলাইন এবং অফলাইনে বিক্রি করছেন গ্রাহকদের এছাড়াও গ্রাহকদের পছন্দমত ফুলের স্তবক বানিয়ে দিচ্ছেন দামও রেখেছেন নাগালের মধ্যে। বর্তমান দিনে রেডিমেড ব্যাচে থাকে পরিবেশ অবন্ধব বিভিন্ন উপকরণ।(West Midnapore)
তবে সম্পূর্ণ পরিবেশ উপকারী আর্ট পেপার দিয়েই তৈরি করছেন এই বরণের ব্যাচ। প্রসঙ্গত ছোটবেলা থেকে আঁকার শখ বড় হতেই মানুষের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অন্যান্য কাজের অবসর সময়ে তৈরি করেন এই ব্যাচ। সামান্য আট পেপার ও আঠা দিয়ে তৈরি করা যায় সৃজনশীল এই জিনিস বানিয়ে একদিকে যেমন নিজের স্বনির্ভর হচ্ছেন।তেমনি অন্যকে দিচ্ছেন স্বনির্ভর হওয়ার বার্তা দিচ্ছিন পাশাপাশি মাসেও ভালো উপার্জন জুটছে। যুবকের এই উদ্যোগ এবং স্বনির্ভর হওয়ার এই ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকালে।