ad
ad

Breaking News

Durga Puja

কল্যাণীর পুজোয় নতুন চমক, লুমিনাস ক্লাবের ভাবনায় মায়ানমারের বৌদ্ধ মন্দির

উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, দিনের আলোতে নয়, রাতের আলোয় মণ্ডপের সৌন্দর্য যেন হয়ে উঠবে আরও অনন্য (Durga Puja)।

Durga Puja: Luminous Club Creates Myanmar-Inspired Mandap

চিত্র: নিজস্ব

মাধব দেবনাথ, নদিয়া: প্রতিবছরই কলকাতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশেষ চমক নিয়ে হাজির হয় নদীয়ার কল্যাণী আইটিআই মোড়ের লুমিনাস ক্লাব। এবছর তাদের থিম, মায়ানমারের বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে তৈরি দুর্গা মণ্ডপ। শুধু বাহ্যিক রূপ নয়, মণ্ডপসজ্জার প্রতিটি অংশেই রয়েছে অভিনবত্ব। বস্ত্রশিল্প থেকে শুরু করে পাটকাঠি, চামচ, বেলের খোল, সবকিছুর সুনিপুণ ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে এই পুজো মণ্ডপে। উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, দিনের আলোতে নয়, রাতের আলোয় মণ্ডপের সৌন্দর্য যেন হয়ে উঠবে আরও অনন্য (Durga Puja)।

[আরও পড়ুন: অভিজ্ঞতাগুলি গুরুত্বপূর্ণ হবে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে বার্তা জাকেরের]

কল্যাণীর লুমিনাস ক্লাব বরাবরই পরিচিত তাদের অনন্য ভাবনা আর শিল্পসজ্জার জন্য। এবছরও তারা ভিন্ন মাত্রা এনেছে দুর্গোৎসবে। মায়ানমারের বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে তৈরি এই মণ্ডপ যেন দর্শনার্থীদের নিয়ে যায় অন্য এক জগতে। প্রায় চার মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছিল মণ্ডপ তৈরির কাজ। মণ্ডপের ভেতরজুড়ে সাজানো হয়েছে গৌতম বুদ্ধের নানা অবতার। শুধু তাই নয়, এখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বস্ত্রশিল্পকে। রাজ্যের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়েছে নামিদামি বস্ত্রশিল্পীদের সৃষ্টিকর্ম। মণ্ডপ সজ্জায় অভিনবত্ব আনার জন্য পাটকাঠি, কাঠের চামচ, বেলের খোলের মতো দৈনন্দিন উপকরণকে শিল্পের ভাষায় রূপান্তরিত করা হয়েছে (Durga Puja)।

FB POST: https://www.facebook.com/share/r/19N6qVk2an/

পাশাপাশি শয্যায় ব্যবহার করা হয়েছে নানারকম পাহাড়ি ফুল, যা মণ্ডপকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। দুর্গোৎসব মানেই ভিড়, আর সেই ভিড় সামলাতে প্রশাসন ও উদ্যোক্তাদের তরফে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গোটা এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড, যাতে অতিরিক্ত ভিড়েও না ঘটে কোনো দুর্ঘটনা। তীব্র গরম উপেক্ষা করেও মানুষ আসছেন মণ্ডপ দেখতে। উদ্যোক্তাদের দাবি, দিনের আলোয় যেমন মণ্ডপ সুন্দর লাগছে, তার চেয়ে আরও বেশি মোহময়ী এই মণ্ডপ হয়ে উঠছে রাতের কৃত্রিম আলোর ঝলকানিতে (Durga Puja)।