চিত্রঃ নিজস্ব
Bangla Jago Desk: গরমের শুরুতেই ভয়ংকর চিত্র। এলাকার বেশিরভাগ পরিবার নিম্নবিত্ত হওয়া সত্বেও চড়া দামে কিনে খেতে হচ্ছে পানীয় জল। একাধিকবার পৌরসভাকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। অবশেষে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি এলাকাবাসীর। জানা যায় নদীয়ার শান্তিপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত একাধিক জায়গায় দুই বছর আগে জলের লাইন পৌঁছেছে বাড়ি বাড়ি।
পৌরসভার তরফে প্রতিটি বাড়িতে সেই জলের লাইনের সঙ্গে কল বসানো হয়েছে। কিন্তু নামেই পৌঁছেছে জলের লাইন। দুই বছর আগে বাড়িতে পৌরসভার তরফে কল বসানো হলেও সেই কল দিয়ে জল পড়ে না। এলাকার বিজেপি কাউন্সিলর সহ চেয়ারম্যান এর কাছে একেকবার এই বিষয়ে জানিয়েছে এলাকাবাসী। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
আরও পড়ুনঃ চেন্নাই-নাইট রাইডার্স প্রত্যাখ্যাত অশ্বনী-ই এখন হিরো
এলাকাবাসীর অভিযোগ এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবার সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাড়িতে মেশিনের সাহায্যে পৌরসভার পাইপ লাইনের অতিরিক্ত জল সঞ্চয় করে রাখছে। যার কারণে যে জল প্রতিটি বাড়িতে সরবরাহ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সেই জলের ঘাটতি পড়ছে। এ বিষয়ে একাধিকবার পৌরসভা কে জানানো হয়েছে কিন্তু কোন কর্ণপাত করেনি। অবশেষে এদিন তারা শান্তিপুর পৌরসভায় চেয়ারম্যানের কাছে পুনরায় একটি অভিযোগ জমা করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, কোনরকমে সংসার চলে তাদের। তার মধ্যে যদি গরমের শুরুতে জল কিনে খেতে হয় তাহলে আগামী দিনে না খেয়ে মরতে হবে তাদের।শান্তিপুর পৌরসভার পৌর প্রধান সুব্রত ঘোষ জানান, এলাকায় কিছুটা পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। সেই কাজ ইতিমধ্যেই চলছে। আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছাতে পারে।
আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণনগর-লালগোলা সেকশনে উন্নয়ন লেভেল ক্রসিং গেটের
অন্যদিকে এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সোমনাথ কর জানান, শুধুমাত্র এক নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা নয়। গোটা শান্তিপুর পৌরসভা জুড়ে পানীয় জল পরিষেবা বেহাল। পৌরসভা ব্যর্থ মানুষকে পানীয় জলের পরিষেবা দিতে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানাচ্ছি প্রতিটি বাড়িতে যাতে সঠিকভাবে মানুষ পানীয় জলের পরিষেবা পায়। অন্যদিকে শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের দাবি,, কারণবশত ত্রুটির কারণে ঠিকঠাক জলপরিসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। খুব তাড়াতাড়ি এর দ্রুত সমাধান করা হবে।