চিত্র : সংগৃহীত
Bangla Jago Desk : মানবসমাজকে সুস্থ রাখার জন্য ওঁরা জীবন সঁপে দেন। জীবন-দেবতা চিকিত্সকরা আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিমকোর্ট। চিকিত্সকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাটো করতে খোলনলচে বদলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আর জনস্বাস্থ্যের মন্দিরের রোগ সারাতে গড়ে দিয়েছে টাস্ক ফোর্স। একইসঙ্গে সুপ্রিমকোর্ট কর্মবিরতি তুলে নিয়ে চিকিত্সকদের কাজে ফেরার আবেদন করে। সেই আবেদনে আপাততঃ আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সকরা সাড়া দিচ্ছেন না বলে স্পষ্ট করেছেন।তাঁদের অভিমত,২২অগাস্টের পর তাঁরা এবিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।তবে আশার আলো দেখালো সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিত্সকরা।তাঁরা সুপ্রিম আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রত্যাহার করেছে কর্মবিরতি।ব্যস্ততম হাসপাতালের সেই ছবি ধরা পড়ল আমাদের ক্যামেরায়।
[ আরও পড়ুন : বিকৃত মানসিকতা! দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড়ের মাঝে নির্যাতনের ভিডিয়ো খুঁজতে ব্যস্ত কিছু মানুষ ]
রোগীরা বলছেন তাঁরা সমস্তরকম পরিষেবা পাচ্ছেন,হয়রানির দৈন্দিন ছবিটা বদলাচ্ছে।জটিল থেকে সাধারণ রোগ, সব রোগের চিকিত্সা এই সরকারি হাসপাতালে মিলছে।আউটডোরের দরজা খোলায় স্বস্তির শ্বাস ফেলছেন রোগীও রোগীর পরিজনরা।
এদিকে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সকরা আন্দোলন জারি রাখলেও পরিষেবা প্রদানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।তাঁরা রোটেশনালি বা টিম ভাগ করে দুইয়ের ভারসাম্য রাখছেন বলে বাংলা জাগোর ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন।
[ আরও পড়ুন : Durand: মিলল অনুমতি, কলকাতাতেই ডুরান্ডের ম্যাচ ]
সুপ্রিম আবেদনে কেন সাড়া দিচ্ছেন না,চিকিত্সকসমাজ ? মানবিক কারণে কেন তাঁরা কাজে যোগ দিচ্ছেন না ? এইসব প্রশ্নের উত্তরে জুনিয়র ডাক্তাররা বুঝিয়ে দেন,তাঁরা অবস্থানে থাকলেও সিনিয়র ডাক্তাররা আউটডোর খুলে রেখে চিকিত্সা করছেন। হাসপাতালের চিকিত্সার কাজ প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
দক্ষিণবঙ্গের জেলা হাসপাতালগুলোর মতোই উত্তরবঙ্গের হাসপাতালগুলো আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদ জারি রেখেও পরিষেবা প্রদানে সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করছে।গৌড়বঙ্গের মানুষকে পরিষেবা প্রদানের কাজে উদ্যোগী মালদা মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সকদের একাংশ কাজে যোগ দিলেও মোটের ওপর ব্যাহত হচ্ছে পরিষেবা।
বৃহস্পতিবার সিবিআইকে তদন্তের ‘স্টেটাস রিপোর্ট’ জমা দিতে বলেছে শীর্ষ আদালত। হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়ে ওই দিন রিপোর্ট দেবে রাজ্যও। তারপরই চিকিত্সকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করবে কিনা তা ভেবে দেখবে বলে জানিয়েছেন।