ad
ad

Breaking News

South 24 Paraganas

ঘোড়ামারা দ্বীপে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ সাধারণের দুয়ারে

বিশেষ করে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও ‘উন্নয়নের সংলাপ’ নিয়ে তৈরি ভিডিয়ো চিত্রটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

development-tale-reaches-ghoramara-island-with-unnoyoner

চিত্রঃ নিজস্ব

Bangla Jago Desk: সৌরভ নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : সুন্দরবনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘোড়ামারা দ্বীপ। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই দ্বীপের মানুষের কাছে এবার পৌঁছে গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের খতিয়ান। বিগত ১৫ বছর ধরে রাজ্যের মানুষের কাছে যে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার, তার খতিয়ান এবার জনসাধারণের কাছেই পৌঁছে যাচ্ছে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার বিশেষ উদ্যোগে, ঘোড়ামারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজার সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হল এক বিশেষ কর্মসূচি— ‘উন্নয়নের পাঁচালী’। ​

বৃহস্পতিবার ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ভিডিয়ো চিত্রের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষের সামনে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও ‘উন্নয়নের সংলাপ’ নিয়ে তৈরি ভিডিয়ো চিত্রটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ঘোড়ামারা দ্বীপের প্রান্তিক মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ডিজিটাল প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ​ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, জেলা পরিষদের সদস্য সন্দীপ কুমার পাত্র, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা ও স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুতনু মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঘোড়ামারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ওই অনুষ্ঠানে ​জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ার কারণে অনেক সময় তথ্য পৌঁছতে দেরি হয়, কিন্তু ভিডিয়োর মাধ্যমে সরাসরি উন্নয়নের কাজ চোখের সামনে দেখতে পেয়ে খুশি ঘোড়ামারা দ্বীপের বাসিন্দারা। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই এলাকাকে মূল স্রোতের সঙ্গে যুক্ত রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।