নিজস্ব : গ্রাফিক্স চিত্র
Bangla Jago Desk, Barsa Sahoo : বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আসতে পারে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে। ফলে, উপকূলের কাছে সমুদ্রে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। হাওয়া অফিস ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
[ আরও পড়ুন : সাকিব কে মিস করবে না দক্ষিণ আফ্রিকা, কারণ… ]
মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে সোমবার সকালে নিম্নচাপ অঞ্চল গঠিত হয়েছে। এটি ক্রমে পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে আরও শক্তিশালী হবে এবং ২২ অক্টোবরের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২৩ অক্টোবর, বুধবার এই নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ঝোড়ো আবহাওয়া বিরাজ করবে। বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে, বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে বাতাসের গতি ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার হতে পারে।
[ আরও পড়ুন : koyel Mallick: অষ্টমীর আসরে নাতি-দাদুর খুনসুটি! দেখুন মল্লিক বাড়ির অন্দরমহলের ভাইরাল ছবি ]
হাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের জন্য গভীর সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর মধ্য ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে এবং ২৬ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত উত্তর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কলকাতায় সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আপাতত বৃষ্টির সতর্কতা নেই, কিন্তু বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা এই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ বাংলার উপরিকালের আবহাওয়া পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলতে পারে। সকলের উদ্দেশ্যে জানানো হচ্ছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।