চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: কথা দিয়েও কথা রাখেনি কেন্দ্রের মন্ত্রীরা। লোকসভা ভোটে জেতার জন্য দিল্লির নেতারা দামোদর নদের উপর সেতু তৈরি করার স্বপ্ন দেখান। দীর্ঘ সময় গড়িয়ে গেলেও কথা রাখেনি বিজেপি সরকার, তৈরি হয়নি দামোদরের উপর কোনও সেতু। যাতায়াতের জন্য একসময় তৈরি করা হয়েছিল বাঁশের সাঁকো। ভারী বর্ষণ ও নদীর জলের স্রোতে ভেঙে গেছে তাই বাঁশের সাঁকো। যারজন্য এখন নৌকাতেই পারাপার করতে হয় দুটি জেলার মানুষকে।পঃবর্ধমানের সঙ্গে পুরুলিয়ার যোগাযোগের অন্যতম উপায় ছিল এই বাঁশের সাঁকো। কিন্তু অতিবর্ষণের পর মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। কখনও কখনও আবার ফেরি পরিষেবা ব্যাহত হয়। ২০থেকে ৩০কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয় দুই জেলার মানুষকে। তাতে জীবন যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট এলাকাবাসী।(Damodar River)
[আরও পড়ুনঃ Khalid Jamil: ভারতীয় ফুটবল দলের দায়িত্বে খালিদ জামিল! এআইএফএফের বৈঠকে চূড়ান্ত সিলমোহর]
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে যাতায়াত করতে হওয়ায় সাধারণ মানুষ বেশ ক্ষুব্ধ।তাঁদের আরও অভিযোগ,ভোটের সময় আসেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। ভোট মিটে গেলে তাঁর কথামতো কাজ হচ্ছে না। তাই কোনও সুরাহা না করায় জমেছে পাহাড়প্রমাণ ক্ষোভ।জল বাড়লে আবার ফিরে চলাচল থমকে যায়।(Damodar River)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial]
ফেরি সার্ভিস ব্যাহত হওয়ায় দুই জেলার মানুষকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।তাই স্থানীয় প্রশাসনের মতোই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বিধায়ক তহবিল থেকে এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিন চাইছেন ফেরি ঘাটের যাত্রীরা।(Damodar River)
এই ফেরিঘাট দুই জেলার মধ্যে যাতায়াতের অন্যতম ভরসাযোগ্য জলপথ। বিশেষ করে গ্রামের শ্রমিক, ছাত্রছাত্রী ও দিনমজুরেরা এই রাস্তায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন। এখন ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, ২০-৩০ কিমি ঘুরপথে যেতে হচ্ছে, যার ফলে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে। ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেলে অনেকেই অবৈধ টায়ার বা কাঠের নৌকা ব্যবহার করে নদী পার হচ্ছেন, যা প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। বর্ষাকালে এই পথ আরও ভয়ানক হয়ে উঠতে পারে।