চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেষ হল পশ্চিমবঙ্গের ডিএ (Dearness Allowance) সংক্রান্ত মামলার শুনানি। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ শুক্রবার জানায়, দুই পক্ষকে লিখিত বয়ান জমা দেওয়ার জন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। এরপরেই চূড়ান্ত রায়ের দিকে এগোবে দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত সূত্রে খবর, লিখিত বক্তব্য পর্যালোচনা করে আগামী অক্টোবর মাসের শুরুতেই রায় ঘোষণা করা হতে পারে। তবে উৎসবের মরসুমে, অর্থাৎ পুজোর আগেই যদি রায় না-ও আসে, তাহলেও পুজোর পরে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য আসতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত সুখবর—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ (DA Verdict)।
আরও পড়ুনঃ রনক্ষেত্র নেপালের সংসদ ভবন চত্তর, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
এই মামলার দিকে বহুদিন ধরেই নজর রেখেছেন পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক রাজ্য সরকারি কর্মী। কলকাতা হাইকোর্ট ২০২২ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়ে দেয়, মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সরকারি কর্মীদের ‘আইনি অধিকার’, এবং কেন্দ্রের হারে ডিএ রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে নবান্ন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। রাজ্য সরকারের দাবি, ডিএ বকেয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, এবং তার হিসেব চূড়ান্ত করতে সময় লাগছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত তাতে সন্তুষ্ট নয়। বিচারপতিরা সাফ বলেন, “রাজ্যের বাইরে নিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারী কর্মীরা যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পান, তাহলে রাজ্যের কর্মীরা কেন বঞ্চিত হবেন (DA Verdict)?”
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট আরও উল্লেখ করে, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ রাজ্যকে কর্মীদের হাতে তুলে দিতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত রাজ্য কতটা দায়িত্ব পালন করে—তা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ কী হয়।পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের কার্যকরী সভাপতি সঞ্জীব পাল এদিন বলেন, “অবশেষে বহুদিনের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। আমরা আশা করছি, একটি ঐতিহাসিক রায় পেতে চলেছি, যা আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে (DA Verdict)।”