চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার শক্তি হারানোর পর পরই বঙ্গোপসাগর তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণিঝড়। নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল বরাবর উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই এটি স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে (Cyclone Ditwa)।
ডিটওয়ার প্রভাবে দক্ষিণ ভারতের উপকূলবর্তী রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি হয়েছে। তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জেলায় আগামী কয়েক দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রে উত্তাল ঢেউ, ঝোড়ো হাওয়া এবং উপকূলীয় অঞ্চলে জলবন্দি পরিস্থিতির আশঙ্কার কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপকূলরেখার বিভিন্ন জেলায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং প্রশাসনকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তবে স্বস্তির খবর, এই ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চিমবঙ্গের ওপর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই। বঙ্গোপসাগরেই এর গতিপথ দক্ষিণ দিকেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে অনুমান হাওয়া অফিসের (Cyclone Ditwa)।
এদিকে নভেম্বরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়েও দক্ষিণবঙ্গে এখনও যথেষ্ট শীত অনুভূত হচ্ছে না। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের মতো পার্বত্য জেলায় শীত পড়লেও সমতলে তেমন ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে না। পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় রাতে তাপমাত্রা ১৩–১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না, দিনের বেলায় তাপমাত্রা দ্রুতই বেড়ে যাচ্ছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। বরং শীতের অনুভূতি আরও কিছুটা কমতে পারে। ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের তেজে আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলেই পূর্বাভাস। আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে শীত নামতে আরও কিছুটা দেরি হতে পারে (Cyclone Ditwa)।