ad
ad

Breaking News

Nadia

নদিয়ায় রোহিঙ্গা প্রবেশ ঘিরে বিতর্কের ঝড়, আটক ৩

তবে সীমান্তের বাসিন্দা রূপ ঘোষ বলেন, বিএসএফ সীমান্তে পাহারা দেয় বলেই তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন ও রাতে ঘুমাতে পারেন নিশ্চিন্তে। সীমান্ত অনুপ্রবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিএসএফকে আরো সতর্ক হতে হবে এবং কড়া পাহাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

Controversy erupts over Rohingya entry into Nadia, 3 detained

নিজস্ব চিত্র

Bangla Jago Desk: মায়ানমারের বাসিন্দা আব্দুল রহমান দুই নাবালিকার সঙ্গে বাংলাদেশ হয়ে নদিয়ার গেদে সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করেছিল ভারতে। শিয়ালদা স্টেশনে সন্দেহভাজনভাবে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। আরপিএফ পরিচয়পত্র এবং নথি দেখতে চাইলে কিছু দেখাতে পারেননি ওই তিনজন। তাদের কাছে ছিল না পাসপোর্ট। এরপরই আরপিএফের পক্ষ থেকে শিয়ালদা জিআরপি থানায় খবর দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: ভেজাল খাবার ধরতে আরও ৩ স্থায়ী পরীক্ষাগার তৈরির নির্দেশ নবান্নের]

এরপর জিআরপি থানার পুলিশ এসে তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে মায়ানমারের বাসিন্দা আব্দুল রহমান নামে ওই ব্যক্তি জানান, দুই নাবালিকার সঙ্গে নদিয়ার গেদে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। কুড়ি হাজার টাকার বিনিময়ে সীমান্তে দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।

এরপর গেদে থেকে লোকাল ট্রেন ধরে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছান। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, শিয়ালদা থেকে ট্রেন ধরে দিল্লি যাওয়ার। স্বভাবতই আবারো তিন রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশের ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে নদীয়ার গেদে সীমান্ততে।

কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শুভদীপ সরকারের মন্তব্য, ভারতের বিএসএফের গাফিলতির কারণে এইভাবে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে ভারতে। বিএসএফ টাকার বিনিময়ে এই ধরনের রোহিঙ্গাদের সাহায্য করছে।

রোহিঙ্গা প্রবেশের ঘটনায় নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি নেতা অমিত প্রামাণিক বলেন, কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে কাঁটাতার দেওয়া হয়নি। কারণ রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে জমি দিচ্ছে না।

তার কারণে কাঁটাতারের ফাঁকফোকর দিয়ে অনায়াসে প্রবেশ করছে অনুপ্রবেশকারীরা। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকার উভয়কেই সীমান্তের সুরক্ষার জন্য করা ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে আগামী দিন খুবই বিপদজনক।

[আরও পড়ুন: মৃত্যু নামক বিভীষিকার মুখ থেকে ফিরে আসার কাহিনী শোনালেন রমন]

তবে সীমান্তের বাসিন্দা রূপ ঘোষ বলেন, বিএসএফ সীমান্তে পাহারা দেয় বলেই তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন ও রাতে ঘুমাতে পারেন নিশ্চিন্তে। সীমান্ত অনুপ্রবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিএসএফকে আরো সতর্ক হতে হবে এবং কড়া পাহাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে কোন অনুপ্রবেশকারী আর ভারতের প্রবেশ করতে না পারে।