Bangla Jago TV Desk : উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে গোটা দেশের মানুষ তাকিয়েছিল উদ্ধারকারী দলের দিকে। ১৭ দিনের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার পর অবশেষে সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা হয় শ্রমিকদের। এই উদ্ধারকাজের কৃতিত্বে এবার উঠে এল জমি আন্দোলনের আঁতুড়ঘর সিঙ্গুরের নাম। সিঙ্গুরের হাত ধরে গর্বিত হলো বাংলা।সুড়ঙ্গে আটকে থাকা ওই শ্রমিকদের সঙ্গে প্রথমে যোগাযোগ স্থাপন করা গিয়েছিল এক বঙ্গসন্তানের তৎপরতায়। এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরায় দেখা গিয়েছিল আটকে থাকা শ্রমিকরা কেমন আছেন।
সুড়ঙ্গে সেই ক্যামেরা পাঠিয়েছিলেন সিঙ্গুরের দৌদ্বীপ খাঁড়া। এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরার সাহায্যে পেটের ভেতর রোগ নির্ণয় করা হয়। খানিকটা সেই পদ্ধতিতেই ওই ক্যামেরার সাহায্যেই প্রথমবার বাড়ির লোকেরা আটকে পড়া শ্রমিকদের কয়েকজনকে দেখে আশ্বস্ত হন। সেই যোগাযোগ স্থাপন হয়েছিল সিঙ্গুরের দৌদ্বীপ খাঁড়ার উদ্যোগে। দৌদ্বীপ খাঁড়া একটি বেসরকারি পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থার কর্মী।
হুগলির টিপিআই কলেজে পড়াশোনা সেরে এখন কলকাতার বেসরকারি একটি কলেজে পড়াশোনা চালাচ্ছেন দৌদ্বীপ। একইসঙ্গে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ শুরু করেছেন তিনি। দৌদ্বীপ খাঁড়ার পরিবারে এবং সিঙ্গুরে এখন খুশির উৎসব। মা সবিতা খাঁড়া ও বাবা দীনেশ খাঁড়া ছেলেকে নিয়ে গর্বিত। আনন্দে আত্মহারা তাঁরা। উত্তরকাশী সুড়ঙ্গ উদ্ধার অভিযানে দৌদ্বীপ খাঁড়ার অবদানের জন্য তাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিয়েছেন অনেকেই। তাঁর এই উদ্যোগ বাংলার গর্ব।
FREE ACCESS