ad
ad

Breaking News

Bardhaman

দাবার মঞ্চে ৫ থেকে ৫০ ঊর্ধ্ব! চেস্ স্কুলের গৌরবময় আয়োজন

এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ১৭০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ৫ বছর বয়সী ক্ষুদে দাবাড়ু থেকে শুরু করে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রাও।

Chess school's grand event for ages 5 to 50+!

চিত্র: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: চেস্ স্কুলের পক্ষ থেকে শনিবার এক ব্যতিক্রমী এবং অত্যন্ত গৌরবময় দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বর্ধমান মিউনিসিপাল বয়েজ হাই স্কুলে। এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ১৭০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ৫ বছর বয়সী ক্ষুদে দাবাড়ু থেকে শুরু করে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রাও। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটি বিস্তৃত বয়সের পরিসরে দাবা খেলার প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং অংশগ্রহণ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

দাবা খেলা একটি প্রাচীন এবং মানসিক বিকাশে সহায়ক খেলা হিসেবে সর্বদা পরিচিত। এর শিকড় ভারতের মাটিতেই, এবং আজ তা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। এই প্রতিযোগিতার অন্যতম উদ্দেশ্য হল, নতুন প্রতিভাদের খুঁজে বের করে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা। আজকের এই প্রতিযোগিতা থেকে বাছাই করে ৩০ জন প্রতিভাবান দাবাড়ুকে নির্বাচিত করা হবে, যাঁদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করা হবে। সেই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৬০০ জন দাবাড়ু অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।

চেস্ স্কুল ২০১৮ সালেও একটি সফল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল, এবং দীর্ঘ সাত বছর পর ২০২৫ সালে তারা আবারও একটি বড় উদ্যোগ নিয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগ শুধুমাত্র দাবা খেলাকে জনপ্রিয় করে তোলে না, বরং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দাবা খেলা বাচ্চাদের মধ্যে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি, কৌশল নির্মাণ, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। এটি শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা এবং ধৈর্য বাড়ায়, যা পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের এক ঝাঁক মেধাবী দাবাড়ুকে তৈরি করতে সহায়তা করবে, যারা আগামী দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বাংলার নাম উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে। চেস্ স্কুল এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই উদ্যোগের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।