ad
ad

Breaking News

পেট্রাপোল সীমান্তে সৌহার্দ্যের ছবি, স্বাধীনতা দিবসে বিএসএফ-বিজিবির মিষ্টি বিনিময়

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন সকালে পেট্রাপোল সীমান্তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

bsf-and-bgb-exchange-sweets-at-petrapole-border-on

চিত্রঃ সংগৃহীত

AK Bangla 24×7 Digital: স্বাধীনতা দিবসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দেখা গেল সৌহার্দ্যের ছবি। পেট্রাপোল সীমান্তে এদিন বিএসএফ ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির মধ্যে মিষ্টি বিনিময় হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পুশইন-সহ একাধিক ঘটনা এবং হাসিনা-ইস্যুকে কেন্দ্র করে দু’দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হলেও, এদিনের অনুষ্ঠানে উঠে এল বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন সকালে পেট্রাপোল সীমান্তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিএসএফের ১৭৮ নম্বর ব্যাটেলিয়নের পক্ষ থেকে পতাকা উত্তোলন করেন সেকেন্ড ইন কমান্ড শৈলেন্দ্র সিং। এরপর বিজিবি আধিকারিকদের হাতে মিষ্টি তুলে দেন বিএসএফ আধিকারিকরা। পাল্টা সৌজন্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সম্পর্কের ছবিও ফুটে ওঠে।

পেট্রাপোল সীমান্ত এমনিতেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত ও যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করিডর। দুই দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই সীমান্ত। ফলে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহেও স্বাধীনতা দিবসের দিনে সাধারণ মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বার্তাই বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।

এদিনের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে সীমান্ত এলাকায় ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ পেট্রাপোলে আসেন। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল জোরদার। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর রাখে নিরাপত্তা বাহিনী।

পাশাপাশি, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট এলাকাতেও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর এবং রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা দিবসে পেট্রাপোল সীমান্তে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বাইরে ভারত-বাংলাদেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের এক ভিন্ন ছবি ধরা পড়ে।