ad
ad

Breaking News

Bishnupur

উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিষ্ণুপুরে চালু হল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র

উদ্বোধনের দিন থেকেই এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আউটডোর পরিষেবা চালু হয়েছে

bishnupur-new-primary-health-center

চিত্রঃ নিজস্ব

Bangla Jago Desk: কৈলাস বিশ্বাস, বাঁকুড়া: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই স্বাস্থ্য পরিষেবায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। ২০১১ সাল থেকে এই ক্ষেত্রটির পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ একাধিক কাজকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত চিকিৎসার জন্য একাধিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হয়েছে। ব্লকস্তরের হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিষেবার মান বাড়ানো হয়েছে। আর এসবই হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত সুপরিকল্পনার মাধ্যমে। তাই বিষ্ণুপুরে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা আরও সহজলভ্য ও উন্নত করতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হল নতুন পুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় প্রায় ৯২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হল বিষ্ণুপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে, দুই নম্বর রাজ্য সড়কের পাশে। এদিন ফিতে কেটে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের শুভ সূচনা করেন বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ ও বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী। উদ্বোধনের দিন থেকেই এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আউটডোর পরিষেবা চালু হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই বিষ্ণুপুর জেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড়ের সমস্যা ছিল। আশপাশের ব্লক ও জেলা থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে বিষ্ণুপুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আউটডোর পরিষেবা নিতে হত। সেই সমস্যা লাঘব করতেই এই নতুন পুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।স্বাস্থ্য কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, খুব শীঘ্রই এখানে ৩০ শয্যাবিশিষ্ট ইনডোর পরিষেবা চালু হবে।

পাশাপাশি ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও থাকছে। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট ও ল্যাব টেকনিশিয়ান কর্মরত রয়েছেন। রোগীরা এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও পাবেন।চিকিৎসক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু হওয়ায় একদিকে যেমন বিষ্ণুপুর জেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর চাপ কমবে, তেমনই এলাকার মানুষ সহজে ও কম সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি বিষ্ণুপুরের সাধারণ মানুষ।