ad
ad

Breaking News

Bishnupur

স্বাধীনতার পর এই প্রথম! বিষ্ণুপুরের আদিবাসী পাড়ায় পৌঁছল পাকা রাস্তা

স্বাধীনতার পর থেকেই বিষ্ণুপুর পুরসভার ২নম্বর ওয়ার্ড নতুন মহল থেকে আদিবাসী পাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা।

Bishnupur Village Finally Gets Concrete Roads and Streetlights

চিত্র: সংগৃহীত

কৈলাস বিশ্বাস, বাঁকুড়া: স্বাধীনতার পর প্রথবার শুরু হয়েছিল উন্নয়ন। এর আগে কবে রাস্তা সংস্কার হয়েছিল তা মনে করতে পারছেন না গ্রামের অশীতিপর বৃদ্ধাও। শুধু তাই নয় সেইসঙ্গে রাস্তায় জ্বলছে আলো। স্বাভাবিকভাবেই খুশীর হাওয়া বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে। স্বাধীনতার পর থেকেই বিষ্ণুপুর পুরসভার ২নম্বর ওয়ার্ড নতুন মহল থেকে আদিবাসী পাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা (Bishnupur)।

রাজ্যে বিভিন্ন সরকারের শাসনকাল এসেছে। প্রত্যেক সরকারের কাছে এই এলাকার মানুষের দাবি ছিল এই রাস্তাটা যাতে একটু পাকা করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোন সরকার এলাকার অসহায় মানুষের কথায় কর্ণপাত করেনি। তাই এই ভাঙ্গাচোরা জরাজীর্ণ রাস্তা দিয়ে স্থানীয় আদিবাসী পাড়া, মানসা, পানশিউলি, ঘুটবনি, বাসুদেবপুর, ত্রিবক সহ প্রায় সাত থেকে আটটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন নরক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গ্রাম থেকে বিষ্ণুপুর শহরে প্রবেশ করে। কেউ লেখাপড়ার জন্য কেউ হাসপাতাল কেউ বাজার ঘাট করতে আসতে হয় বিষ্ণুপুর শহরে।

স্থানীয়দের অভিযোগ বর্ষাকালে এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত না। ফলে চরম সমস্যায় পড়তে হতো তাদের। তবে তৃণমূলের সরকার আসার পর থেকেই এলাকায় অসহায় মানুষের কথা শুনেছে বিষ্ণুপুর পুরসভা পক্ষ থেকে প্রায় ৫৮ লক্ষ টাকা খরচা করে একটি পিচের রাস্তা তৈরি করা হয়। পাশাপাশি বিষ্ণুপুর পুরসভার পক্ষ থেকে গ্রীন সিটি প্রকল্পের মধ্য দিয়ে রাস্তার পাশে ইলেকট্রিক পোলে বসানো হয়েছে লাইট (Bishnupur)।

স্বাভাবিকভাবেই যেখানে রাতে এই রাস্তা দিয়ে একেবারেই যাতায়াত করা যেত না এখন রাতের বেলাতেও নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে এলাকার মানুষ। মন্দির নগরী শহর বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজাদের ইতিহাস জড়ানো শ্যাম বাঁধের গা বরাবর প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা বিষ্ণুপুর শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবার এই রাস্তায় হচ্ছে পাকা আর তাতেই খুশি এলাকার মানুষ। তাদের বক্তব্য, অবশেষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগেই মিটল তাদের সমস্যা (Bishnupur)।