চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk:বর্তমানে গোটা বাংলা উত্তাল বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালি হেনস্থা ইস্যুতে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নিয়ে পথে নেমেছেন এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে। যদিও গেরুয়া শিবির সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের নেতাদের বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা বলছেন এবং এমন কিছুই ঘটেনি। এক কথায় বলতে গেলে, বঙ্গ রাজনীতিতে এটি অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।(Paschim Medinipur)
এরই মাঝে গুজরাটে নিজের সঙ্গে হওয়া হেনস্তার ঘটনা তুলে ধরলেন পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার পিংলার মালিগ্রামের বাসিন্দা, তথা পরিযায়ী শ্রমিক, বুদ্ধদেব বারিক। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ১০ জন বাঙালি যুবককে নির্যাতন করা হয় সুরাটে, যাদের মধ্যে ৮ জন পিংলার এবং ২ জন সবংয়ের। রাজ্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপে, মোদি গড়ে নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পেয়ে, বুদ্ধদেব শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ নিজের ঘরে ফিরেছেন। কেমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে, সেই অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনেন।
[আরও পড়ুনঃ Bengal Weather: অবশেষে ঘুরল ঘূর্ণাবর্ত! দক্ষিণে বৃষ্টি কমলেও দুর্যোগের সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে]
বুদ্ধদেব বলেন, “আমরা সুরাটের ভেন্ডিবাজারে কাজ করতে গিয়েছিলাম। হোটেলে ঘুমানোর সময় কয়েকজন পুলিশ দরজা ভেঙে ঢুকে বাংলাদেশী বলে বুকে-পেটে লাথি মারে, সন্ত্রাসবাদী বলে এবং চুল ধরে টেনে নিয়ে যায় থানায়। বাড়িতে এবং পুলিশের হেল্পলাইনে ফোন করি। কেড়ে নেওয়া হয় আমাদের মোবাইল এবং লকাপে ঢোকানো হয়। সকালে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।”(Paschim Medinipur)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial]
তিনি আরো বলেন, “মারধর করে। আধার কার্ড দেখতে চাওয়া হয়। বলছিল নকল আধার কার্ড তৈরি করা হয় কলকাতায়। কয়েকজন আধিকারিক আবার ঝুলিয়ে মারার কথা বলছিল। বাংলাদেশের ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। পরিবারের লোকেরা রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তারা পাল্টা সুরাট প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর মুক্তি পাই।” এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বুদ্ধদেব বলেন, “ওনার দয়ায় আমরা ফিরেছি। মনে হচ্ছে যেন পুনর্জীবন পেয়েছি।”(Paschim Medinipur)