চিত্র: প্রতীকী
Bangla Jago Desk: পেটের দায়ে পাঞ্জাবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন মালদার এক যুবক। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ওই যুবকের। পাঞ্জাবের কারান্দি এলাকায় ফ্লাইওভারের উপরে একটি ট্রাক তাকে পিছনে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয় তার।
ঈদে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। তার আগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মৃত যুবকের নাম রমজান আলি (৩৫)। তার বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটা সরকার পাড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে যুবক তার স্ত্রী ও তিন নাবালক সন্তানকে নিয়ে পাঞ্জাবে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে বাইকে ট্রলি লাগিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্লাস্টিক কুড়িয়ে সেগুলো বিক্রি করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সকালে কাজে বেরিয়েছিলেন যুবক। পাঞ্জাবের কারান্দি এলাকায় ফ্লাইওভারের উপরে একটি ট্রাক তাকে পিছনে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের।
মৃত যুবকের ভাই সহরাফ আলি জানান, “আমরা চার ভাই। সামনেই রমজান ছিল। ব্যাংক থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঞ্জাবে কাজ করতে গিয়েছিল। সেখানে কাজ করে ঋণ পরিশোধ করার কথা ছিল। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে আসার কথা ফোনে জানিয়েছিল। তার মধ্যেই ঘটে গেল এই মর্মান্তিক ঘটনা।”
এখন চিন্তায় পরেছে পরিবারটি। দেহটি নিয়ে আসার জন্য অর্থ নেই তাদের কাছে। কিভাবে সেখান থেকে দেহ নিয়ে আসা হবে তা ভেবে পাচ্ছেননা তারা। স্থানীয় বাসিন্দা সাজারুল ইসলাম বলেন, “পরিবারটি দিন আনে দিন খায়। তার পরিবারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। বাবা মারা গিয়েছে বহু বছর আগে। বাড়িতে রয়েছে বয়স্ক মা।” অপরদিকে দেহ কিভাবে নিবে আসবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না পরিবারের লোকেরা।
মৃত যুবকের নাম রমজান আলি (৩৫)। তার বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটা সরকার পাড়ায়। এখন পরিবার চিন্তায় পরেছে দেহটি কিভাবে নিয়ে আসবেন বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে যুবক তার স্ত্রী ও তিন নাবালক সন্তানকে নিয়ে পাঞ্জাবে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে বাইকে ট্রলি লাগিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্লাস্টিক কুড়িয়ে সেগুলো বিক্রি করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সকালে কাজে বেরিয়েছিলেন যুবক। পাঞ্জাবের কারান্দি এলাকায় ফ্লাইওভারের উপরে একটি ট্রাক তাকে পিছনে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের।
মৃত যুবকের ভাই সহরাফ আলি জানান,আমরা চার ভাই। সামনেই রমজান ছিল। তার ভায়ের এক ছটাক জমি নেই। ব্যাংক থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঞ্জাবে কাজ করতে গিয়েছিল। সেখানে কাজ করে ঋণ পরিশোধ করার কথা ছিল। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে আসার কথা ফোনে জানিয়েছিল। তার মধ্যেই ঘটে গেল এই মর্মান্তিক ঘটনা।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজারুল ইসলাম বলেন, পরিবারটি দিন আনে দিন খায়। তার পরিবারে রয়েছে স্ত্রী ও তিন সন্তান। বাবা মারা গিয়েছে বহু বছর আগে। বাড়িতে রয়েছে বয়স্ক মা। এখন কিভাবে পরিবারটি চলবে তা ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়েছে স্ত্রী লাভলি খাতুন। অপরদিকে দেহ কিভাবে নিবে আসবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না পরিবারের লোকেরা।