ad
ad

Breaking News

Bengal Police

বুলডোজার নিয়ে দাদাগিরি আর চলবে না! কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অ্যাকশন মোডে রাজ্য পুলিশ

৪৩৩ গ্রেফতার! ভোট-পরবর্তী অশান্তি রুখতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ রাজ্য পুলিশের।

Bengal Police Cracks Down on Bulldozer Intimidation

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: লালবাজারের পর এবার ভবানী ভবন, ভোট-পরবর্তী অশান্তি রুখতে রাজ্য পুলিশ এখন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে। বুধবার রাজ্য পুলিশের সদর দফতর থেকে সাংবাদিক বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সুযোগ নিয়ে যারা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন, তাদের রেয়াত করা হবে না। বিশেষ করে বুলডোজার বা ভারী যন্ত্র নিয়ে মিছিল করে ভয় দেখানোর প্রবণতা যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।

অ্যাকশন মুডে পুলিশ: ৪৩৩ গ্রেফতার

ভোটের ফল প্রকাশের পর গত কয়েকদিনে রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর সামনে এসেছিল। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ২০০টি এফআইআর রুজু হয়েছে। এই ঘটনার ভিত্তিতে ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় ১১০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। যদিও বুধবার সকাল থেকেই রাজ্যের পরিস্থিতি অনেক শান্ত বলে দাবি করেছেন ডিজি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, যারা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

নিরাপত্তা বদল নিয়ে ব্যাখ্যা

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট নিয়েও মুখ খোলেন ডিজি। তিনি স্পষ্ট করেন, প্রোটোকল অনুযায়ী যে নিরাপত্তা তাঁদের পাওয়ার কথা, তা তাঁরা পাচ্ছেন। বাড়তি যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল, তা প্রত্যাহার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ-প্রশাসন এখন পুরোপুরি সক্রিয়।

যৌথ কন্ট্রোল রুম ও বাহিনীর তৎপরতা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য রাজ্যস্তরে যৌথ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যা এখন জেলা স্তরেও বিস্তৃত করা হচ্ছে। রাজ্যবাসীর উদ্দেশে ডিজির আর্জি, “কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সরাসরি থানায় জানান। যদি কেউ ভয়ে থানায় যেতে না পারেন, তবে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর রুজু করবে।” ভোট-পরবর্তী অশান্তি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের এই কড়া মনোভাব সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা স্বস্তি ফেরাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।