চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: যৌথ প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র আটকে রাখায় রাজ্য সরকারই নিজস্ব তহবিলে বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের সেই সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বাংলার মানুষের মাথার ছাদ তৈরি করে দিচ্ছে।এই প্রকল্পে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম বার অর্থ দেওয়া হয়। প্রায় ১২ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৬০,০০০ টাকা পাঠানো হয়। ২০২৫ সালের মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক ভাবে দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে আরও ৬০,০০০ টাকা বিতরণের ঘোষণা করেন। বর্তমানে ১২ লক্ষ উপভোক্তা দুই কিস্তি মিলিয়ে মোট ১.২০ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের প্রশাসনিক তত্পরতা জারি আছে। প্রশাসনের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রেকর্ডিং পর্যন্ত হবে একাধিক ধাপে (Banglar Bari)।
আরও পড়ুনঃ বিজয়ায় বৃদ্ধাদের মিষ্টি মুখ করালেন নবদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক
জেলা থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমিক তদারকি হবে। রাজ্য সরকার প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি নিয়ে ‘এসওপি’ বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর পাঠিয়েছে। প্রথমে আবেদনের প্রক্রিয়ায় উপভোক্তার জমি, বাসস্থানের বর্তমান অবস্থা ও পরিচয় যাচাই করা হবে। প্রাথমিক অনুমোদন মিললেই ছবি তোলা থেকে ভিডিও রেকর্ডিং পর্যন্ত হবে। সেই রিপোর্ট জেলা প্রশাসনের হাতে যাবে। তার পরেই উপভোক্তাদের দেওয়া হবে বাড়ি তৈরির টাকা। এছাড়াও, দ্বিতীয় দফার কাজের সময় নির্দিষ্ট মনিটরিং টিম গঠন হবে, যাতে থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিক, পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন,এই প্রকল্পের লক্ষ্য, প্রতিটি পরিবার যাতে মাথার উপর ছাদ পায়। তাই কড়া নজরদারির মধ্যেই কাজ এগোচ্ছে প্রশাসনের। কিন্তু তালিকা তৈরীর ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং সঠিক নিয়ম মেনে হয় তার জন্য কড়া নির্দেশ নবান্ন থেকে দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছে। ৯ দফার ট্যানার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরের মাধ্যমে তৈরি হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকা (Banglar Bari)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা প্রকল্পে আবেদনকারী মানুষ তার ব্যাংক একাউন্টে পাবেন। ৬০ হাজার টাকা করে দুইবারে এই টাকা উপভোক্তারা পাবেন। তবে দাদিকা তুলির ক্ষেত্রে ‘সুপার চেকিং’ করতে হবে, জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই নবান্ন সত্যি খবর। তালিকা তৈরীর ক্ষেত্রে যে বিভিন্ন বিষয়গুলো যাচাই করতে হবে সেটাও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পুনযাচাই এর ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাড়ি খতিয়ে দেখবেন বিডিও এবং জয়েন্ট বিডিও। ৫ শতাংশ দেখবেন সাব ডিভিশনাল অফিসার। পাশাপাশি স্বাধীনভাবে কাজ করা স্টেট মনিটরিং টিম যাচাই এর ক্ষেত্রে অংশ নেবে। সবমিলিয়েই তালিকা তৈরীর ক্ষেত্রে কোন ধরনের ফাঁক ফোকর রাখতে চাইছে না নবান্ন (Banglar Bari)।