ad
ad

Breaking News

Baduria

ফ্রিজ খুলতেই বেরোলো কিলো কিলো পচা মাংস! পুলিশের অভিযানের পর নোটিশ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে

উদ্ধার হওয়া মাংসের একাংশের গুণমান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তা সঙ্গে সঙ্গেই বাজেয়াপ্ত করা হয়

Baduria Rotten Meat Seized from Popular Restaurant

চিত্র- সংগৃহীত

AK Bangla Desk: রেস্তোরাঁয় হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের! ফ্রিজ খুলে উদ্ধার হল কিলো কিলো মুরগি ও খাসির মাংস, যার একাংশ পচা অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া বাজার এলাকার একটি পরিচিত রেস্তোরাঁয় সোমবার খাদ্য দফতর, পুরসভা এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই রেস্তোরাঁয় দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের এবং বাসি মাংস মজুত রাখা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় বিপুল পরিমাণ মুরগি ও খাসির মাংস উদ্ধার করেন আধিকারিকরা। উদ্ধার হওয়া মাংসের একাংশের গুণমান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তা সঙ্গে সঙ্গেই বাজেয়াপ্ত করা হয়। ঘটনার পর রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দিয়েছে খাদ্য দফতর। মাংসগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কতদিন ধরে সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং সেগুলি রান্না করে গ্রাহকদের পরিবেশন করা হয়েছিল কি না—সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাদুড়িয়ায় পচা বা ভাগাড়ের মাংস উদ্ধারের ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। কয়েক বছর আগে এই এলাকাতেই একটি গোপন আস্তানা থেকে টন টন পচা মাংস উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়। একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পরিচিত রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পুরনো সেই স্মৃতি এখনও অনেকেরই মনে টাটকা। তার মধ্যেই ফের বাদুড়িয়ার একটি পরিচিত রেস্তোরাঁ থেকে সন্দেহজনক মাংস উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে খাদ্যসুরক্ষা নিয়ে। সাধারণ মানুষ যে খাবারের জন্য রেস্তোরাঁয় টাকা খরচ করছেন, তার মান কতটা নিরাপদ? নিয়মিত নজরদারি হচ্ছে কি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত মাংস পরীক্ষা করে দেখা হবে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পর প্রয়োজন হলে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশও গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ফের পচা মাংসের অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, শুধু একদিনের অভিযান নয়, এলাকার সমস্ত রেস্তোরাঁয় নিয়মিত নজরদারি চালানো হোক। কারণ খাবারের গুণমানের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য।