ad
ad

Breaking News

Garhbeta

সিঁদুর মাখিয়ে শিশুকে বলি দেওয়া চেষ্টা! চাঞ্চল্য গড়বেতায়

এক শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সিঁদুর মাখিয়ে তাকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল প্রতিবেশী এক ব্যক্তি রনজিত রুইদাস।

চিত্র : সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: অমাবস্যার রাতে মূল-বধির শিশুকে সিঁদুর মাখিয়ে তন্ত্র সাধনা। চার বছরের শিশুকে তন্ত্র সাধনার জেরে বলির পাঠা বানিয়ে মারার চেষ্টা। শিশুটিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সিঁদুর মাখিয়ে তাকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল প্রতিবেশী এক ব্যক্তি। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় উদ্ধার হয় ওই শিশুটি।

তন্ত্র বিদ্যা শিখতে গিয়ে এক দুধের শিশুকে বলি দেওয়ার চেষ্টা করছিল প্রতিবেশী এক ব্যক্তি।  এমনই এক অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য গরবেতায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগের জেরে প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি সহ তার পরিবারের পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের সার্দা গ্রামে। এক শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সিঁদুর মাখিয়ে তাকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল প্রতিবেশী এক ব্যক্তি রনজিত রুইদাস। আর ঠিক এই অভিযোগেই প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি সহ তার পরিবারের পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযোগ সার্দা গ্রামের প্রতিবেশী এক দুধের শিশুকে তার মা বাড়িতে ঘুম পাড়িয়ে বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফিরে এসে বাচ্চাকে না দেখতে পেয়ে খোঁজ শুরু করেন। চারিদিকে খোঁজাখুঁজির পর এক প্রতিবেশী দেখতে পান পাশের বাড়ির একটি বন্ধ ঘরের জানালাতে বাচ্চাটি বসে আছে। গোটা গায়ে সিঁদুর মাখা অবস্থায়। তড়িঘড়ি পরিবারের লোকজন গিয়ে বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

আর তারপরেই পরিবারের তরফে অভিযোগ তোলা হয় রঞ্জিত রুইদাসের উপর। উল্লেখ্য  বছরখানেক আগে থেকেই তান্ত্রিক বিদ্যা শিখছেন অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই ওই রঞ্জিত রুইদাসের উপর নজর রাখছিলেন প্রতিবেশীরা। বাচ্চাটির পরিবারের লোকজনের অভিযোগ এবং প্রতিবেশীদের ক্রমান্বয়ে অভিযোগের ভিত্তিতেই রঞ্জিত রুইদাস সহ তার পরিবারের প্রায় পাঁচজনকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে শিশুটি। ধৃত দীর্ঘদিন ধরে তন্ত্র সাধনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযুক্ত যুবকের কার্যকলাপের উপর নজর রাখছিলেন স্থানীয়রা । পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় । বাকিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত আছে কি না, তাও জানার চেষ্টা চলছে।