ad
ad

Breaking News

Antpur Tourism

এখানেই সন্ন্যাসগ্রহণ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁর ৮ গুরুভাই, জানুন বিস্তারিত

এই গ্রামের সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দর এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে। ১৮৮৬ সালে এখানেই স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁর ৮ গুরুভাই গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসগ্রহণ করেন।

Antpur Tourism: Vivekananda’s Legacy and Terracotta Temples

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: হুগলি জেলার এক ছোট্ট গ্রাম আঁটপুর। এই গ্রামের সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দর এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে। ১৮৮৬ সালে এখানেই স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁর ৮ গুরুভাই গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসগ্রহণ করেন।

[আরও পড়ুন: কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গেও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস]

এক সময় এই আঁটপুর গ্রামের নাম ছিল ‘বিষখালি’। তৎকালীন বর্ধমান জেলার রেসিডেন্সির দেওয়ান আঁটর খাঁয়ের নামেই এই জনপদের নাম রাখা হয় আঁটপুর। টেরাকোটার অপূর্ব কারুকাজ করা মন্দিরের জন্য বিখ্যাত আঁটপুর। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রাধাগোবিন্দ জিউয়ের মন্দির। বর্ধমানের মহারাজার দেওয়ান কৃষ্ণরাম মিত্র মন্দির নির্মাণ করেন। টেরাকোটার মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট। চারচালার ছাদ, ৪টি খিলানযুক্ত স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে মন্দির। গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত কষ্টিপাথরের শ্রীকৃষ্ণর বিগ্রহ। মন্দিরের ৪ কোণা গম্বুজ আকৃতি, দোলমঞ্চ আকর্ষণীয়। এছাড়াও রয়েছে টেরাকোটার বাণেশ্বর, রামেশ্বর, ফুলেশ্বর, জলেশ্বর মন্দির।

এছাড়াও রয়েছে সারদাভবন ও শ্রীরামকৃষ্ণর সাক্ষাৎ পার্ষদ স্বামী প্রেমানন্দ অর্থাৎ বাবুরাম ঘোষেদের দুর্গাবাড়ি। ১৮৮৬ সালে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে ঠাকুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের প্রয়াণের পর নরেন্দ্রনাথ দত্ত ও তাঁর ৮ গুরুভাই গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। ওই বছর ডিসেম্বরে নরেন্দ্রনাথ ও তাঁর গুরুভাইরা সন্ন্যাস নেওয়ার জন্য আঁটপুরে আসেন। আঁটপুরে বাবুরাম ঘোষের পৈতৃক বাড়ি ছিল। রাধাগোবিন্দ জিউ মন্দিরের পাশে প্রাচীন পুকুরে স্নান করে জীবনের সুখসাচ্ছন্দ্য পরিত্যাগ করে সন্ন্যাসের শপথ নেন। সেই ঘটনাকে স্মরণ করে এখানে গড়ে উঠেছে ধুনি মন্দির।

এছাড়াও দেখে নেওয়া যায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব তীর্থ দ্বাদশ গোপালের অন্যতম পরমেশ্বর দাস ঠাকুরের শ্রীপাট আনরবাটি। মন্দিরে নিত্যানন্দ প্রভুর সেবিত শ্রীশ্রী শ্যামসুন্দরের বিগ্রহ পূজিত হন। রাধাকৃষ্ণ ও বলরামরূপে শ্রীচৈতন্য ও নিত্যানন্দ মহাপ্রভুকে পুজো করা হয়। আছে ৩০০ বছরের বেশি বয়সি বকুলগাছ। এছাড়াও আঁটপুর থেকে ঘুরে আসা যায় রাজবলহাটে থাকা চর্তুভূজা রাজবল্লভী দেবীর মন্দির। আটচালা রাধাকান্ত মন্দির, কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভিটে।

[আরও পড়ুন: সুপ্রিম নির্দেশে রাজ্য সরকারের স্কুলে এই পদে নিয়োগ, কীভাবে করবেন আবেদন?]

কীভাবে আসবেন আঁটপুর?

হাওড়া-তারকেশ্বর লোকাল ট্রেনে চেপে নামতে হবে হরিপাল স্টেশনে। হরিপাল স্টেশন থেকে বাস বা গাড়িতে করে আসা যায় আঁটপুর। হাওড়া থেকে বাসে জাঙ্গিপাড়ায় এসে সেখান থেকে আসা যায় আঁটপুর। আঁটপুর থেকে মিনিট ১৫-র পথ রাজবলহাট।