ad
ad

Breaking News

Abhishek Banerjee

৫০ দিনে হবে হলদি নদীর সেতু, শুভেন্দুর গড়ে দাঁড়িয়ে ‘অগ্নিশপথ’ অভিষেকের

পবিত্র করকে জেতালেই শুরু হবে ঐতিহাসিক সেতুর কাজ, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে বিরাট ঘোষণা অভিষেকের।

Abhishek Banerjee Promises Haldia River Bridge in Nandigram

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ভোটের মুখে নন্দীগ্রামের মাটি থেকে কার্যত ‘অগ্নিশপথ’ নিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার মহারণ, তার আগে শেষ রবিবারের প্রচারে হাই-ভোল্টেজ নন্দীগ্রামে গিয়ে মেগা ঘোষণা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে হলদি নদীর ওপর স্থায়ী সেতুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিষেক সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর সাফ কথা, “আপনারা এখানে পবিত্র করকে জেতান, আমি কথা দিচ্ছি,  ৫০ দিনের মধ্যে হলদি নদীর ওপর সেতুর শিলান্যাস করে দেব। আমরা কথা দিলে কথা রাখি।”

নন্দীগ্রামবাসীর জন্য হলদি নদীর ওপর এই সেতুটি বহু প্রতীক্ষিত। গত পাঁচ বছরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই কেন্দ্রের বিধায়ক থাকলেও সেতুর কাজ এক চুলও এগোয়নি বলে অভিযোগ শাসকদলের। স্থানীয় মানুষের মনে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভও ছিল। ছাব্বিশের নির্বাচনে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ নেতা পবিত্র করকে ঘাসফুল শিবিরে এনে প্রার্থী করার অন্যতম শর্তই ছিল এই সেতু। এদিন অভিষেক বুঝিয়ে দিলেন, পবিত্রর দেওয়া দাবিকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে দল। তিনি বলেন, “৪ মে-র পরই কাজ শুরু হয়ে যাবে। নন্দীগ্রাম তৃণমূলের কাছে অন্য আবেগ। এখানে পবিত্রকে জেতালে আপনাদের আর সেতুর জন্য হাহাকার করতে হবে না।”

প্রচার মঞ্চ থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, বিধায়ক থাকাকালীন শুভেন্দু এলাকার উন্নয়নের বদলে কেবল বাধা সৃষ্টি করেছেন। অভিষেক বলেন, “এখানে গত ৫ বছরে যিনি বিধায়ক ছিলেন, কোনও কাজ করেননি। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বদা নন্দীগ্রামের কথা ভেবেছেন। আমি যখন এখানে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য সেবাশ্রয় শিবির চালু করলাম, তখনও তিনি বাধা দিয়েছিলেন, খোঁচা দিয়েছিলেন। এখন আবার সেই কাজই নকল করছেন তিনি। কী লাভ এসব করে?”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচারের শেষবেলায় হলদি নদীর ওপর সেতুর এই ঘোষণা নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক সমীকরণে তৃণমূলের এক ‘মাস্টারস্ট্রোক’। শুভেন্দু অধিকারীর ‘উন্নয়ন না করার’ তকমাকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের মন জিততে চাইলেন অভিষেক। অন্যদিকে, বিজেপি ঘর ভাঙা পবিত্র করের ভাবমূর্তিও এই আশ্বাসে আরও উজ্জ্বল হল। এখন দেখার, এই সেতুর প্রতিশ্রুতি ৪ মে নন্দীগ্রামের ব্যালট বক্সে ঠিক কতটা জাদুর কাজ করে।