Bangla Jago Desk: পুজোর সময় শহরের মণ্ডপে বাড়ে ভিড়। কলকাতার মতোই জেলার মানুষও তিলোত্তমার পুজো দেখতে আসেন। তাই দর্শনার্থীদের ম্যানেজ করতে কলকাতা পুলিশ গাইডলাইন মাফিক এগোতে চায়। শুক্রবার জয়েন্ট সিপি হেডকোয়াটার্স মিরাজ খালিদের নেতৃত্বে পুলিশের টিম ১০টির কাছে মণ্ডপ পরিদর্শন করে। তাঁরা চেতলা অগ্রণী ক্লাব থেকে পরিদর্শন শুরু করেন,এরপর যান হরিদেবপুর অজেয় সংহতি সহ একাধিক পুজোপ্রাঙ্গনে। বাংলার পুজো এখন বিশ্বজনীন উৎসব।
দেশ-বিদেশের উৎসবপ্রেমী মানুষ এই পুজোর আনন্দে মেতে ওঠেন। গতবছর কয়েক লক্ষ মানুষ উৎসবের আঙিনায় অংশ নিয়েছিলেন, এবার সেই উৎসবে আরও বেশি মানুষ আসবেন আশা করা যায়। বিশ্বসংস্কৃতির রঙিন ও জনপ্রিয়তম উৎসবকে আলাদা রূপ দিতে প্রশাসনের চেষ্টার খামতি নেই। বিশেষ করে ক্রাউড ম্যানেজমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পুলিশ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। লক্ষ-লক্ষ দর্শনার্থীর সুবিধার্থে পুলিশ একাধিক ব্যবস্থা নেয়। এবার আর হাতে কদিন রয়েছে।
তারপরই পুজোয় মেতে উঠবে, রাজ্যের মানুষ। তাই উৎসবের উচ্ছ্বাস বা আনন্দের স্রোতে গা ভাসানো জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ বিশেষ পরিকল্পনা করছে। মণ্ডপের সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জয়েন্ট সিপি হেডকোয়ার্টাস মিরাজ খালিদ শহরের ১০টি মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। মূলতঃ গাইডলাইন মাফিক যাতে পুজো উদ্যোক্তারা চলে, সেজন্য পুলিশের তরফ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মিরাজ খালিদের সঙ্গে ছিলেন ডিসি সাউথ প্রিয়ব্রত রায়। প্রথমে তাঁরা যান, চেতলা অগ্রণী পুজো প্রাঙ্গনে। তারপর একের পর এক মণ্ডপ পরিদর্শন করে পুলিশের টিম।
মূলতঃ পুজোর নিরাপত্তা থেকে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা,সব কিছুই আইনের রক্ষকদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এরমধ্যে কলকাতা পুলিশ প্রতিটা আয়োজকের কাছে গাইডলাইন পৌঁছে দিয়েছে। সবাই যাতে বাঙালির জনপ্রিয়তম পুজোর ছন্দে মিলিত হতে পারে সেজন্য পুলিশ কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ। সর্বজনীন উৎসবের আনন্দে মাতোয়ারা হতে সমাজের সব অংশই তৈরি হচ্ছে। পুলিশ-প্রশাসন আনন্দ ষজ্ঞকে সার্থক করতে সর্বাঙ্গীন প্রচেষ্টা জারি রেখেছে।