ad
ad

Breaking News

Bangladesh

হাসিনা-কন্যার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ! WHO-র পদ থেকে অপসারণের চেষ্টা ইউনুস সরকারের

Bangla Jago Desk: হাসিনার বোনঝি টিউলিপ সিদ্দিক আগেই পদত্যাগ করেছেন। এবার দুর্নীতি মামলায় নাম থাকায় হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এমনই তথ্য উঠে আসছে প্রশাসনিক সূত্রে। গত বছর ২৩ জানুয়ারী, জেনেভায় WHO-এর নির্বাহী বোর্ড সায়মা ওয়াজেদকে WHO-এর […]

Strict action against Hasina's daughter! Yunus government's attempt to remove from the post of World Health Organization

চিত্র : নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: হাসিনার বোনঝি টিউলিপ সিদ্দিক আগেই পদত্যাগ করেছেন। এবার দুর্নীতি মামলায় নাম থাকায় হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এমনই তথ্য উঠে আসছে প্রশাসনিক সূত্রে।

গত বছর ২৩ জানুয়ারী, জেনেভায় WHO-এর নির্বাহী বোর্ড সায়মা ওয়াজেদকে WHO-এর আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করে। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে। হাসিনা সহ প্রায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যেই তালিকায় জায়গা পেয়েছে হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ, বোনঝি টিউলিপ সহ হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদের নাম। বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে WHO-এর আঞ্চলিক পরিচালক পদ থেকে সায়মা ওয়াজেদকে অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন। তাকে অপসারণের পদক্ষেপ নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান হয় কমিশনের তরফে।

রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তি বাংলাদেশের মনোনয়নে ডব্লিউএইচও’র একটি সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া দেশের জন্য মর্যাদাহানিকর। এর ফলে বিশ্বপরিমন্ডলে দেশের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জোড়ালো আশংকা রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, ২০২৪  সালে আগস্টে, ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে বিক্ষোভ। তার পরেই উত্তপ্ত জনতার চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় মুজিব কন্যা। কোনোরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে ভারতে চলে আসেন হাসিনা। তার কিছুদিনের মধ্যেই গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যার প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

সরকার পরিবর্তন সত্ত্বেও, ঢাকার একজন আইনজীবী বলেন, “যদি কোনও ব্যক্তি কোনও দেশের মনোনয়নের পর জাতিসংঘের সংস্থায় নির্বাচিত হন, তবে সেই দেশের সরকার পতন হলেও তিনি তার ব্যক্তিগত ক্ষমতায় সেই পদে বহাল থাকবেন।”

এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি, দুর্নীতি দমন মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগের মাধ্যমে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছেন। শেখ হাসিনার বোনঝি ৪২ বছর বয়সী টিউলিপ সিদ্দিককে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কিত একটি দুর্নীতির তদন্তে জড়িত করা হয়েছিল। এরপরেই তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “একটি স্বাধীন পর্যালোচনা নিশ্চিত করেছে যে আমি মন্ত্রীর কোড লঙ্ঘন করিনি এবং এমন কোনও প্রমাণ নেই যে আমি অনুপযুক্তভাবে কাজ করেছি। তবুও, সরকারকে বিভ্রান্ত না করার জন্য, আমি নগর পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।”