চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: নববর্ষের প্রাক্কালে শোভাযাত্রা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের। সোমবার এই শোভাযাত্রা বের হয়। তবে এবারের শোভাযাত্রার ছবিটা একেবারে ভিন্ন। বিগত বছরগুলির মতো এই শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারল না সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, এদিনের ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ ছিল পুলিশি ব্যারিকেডে ঘেরা। আমজনতা প্রস্তুত হয়ে এলেও তাদের সামিল হতে দেওয়া হয়নি। এমনকি হকারদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
কারণ প্রত্যেক বছর নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আমজনতা, অংশ নিত পথ চলতি মানুষ। কিন্তু এবারের ভিন্ন ছবিতে নিন্দার ঝড়। বদলের বাংলাদেশে এইধরণের চিত্রের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ইউনুস সরকারের মুখে ঐক্যের বার্তা শোনা গেলেও এ যে বিভাজনের রীতি।
অপরদিকে, এদিনের অনুষ্ঠানে সকলের নজর কেড়েছে শেখ হাসিনার কাটআউট। তবে যেখানে হাসিনাকে ‘স্বৈরাচারী’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর পাশাপাশি শোভাযাত্রা থেকে হাসিনা বিরোধী শ্লোগান ওঠে। শোনা যায় ‘স্বৈরাচারের অবসান, ফ্যাসিবাদের অবসান’।
[আরও পড়ুন: ডুয়ার্সে ফের আঠেরো ফুটের কিং কোবরা উদ্ধার]
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। কয়েকদিন ধরেই নববর্ষ উপলক্ষে শোভাযাত্রার জোরদার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে।
কিন্তু শনিবার আগুন লেগে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল হাসিনার মুখাবয়ব থাকা মোটিফ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে সোমবার সকালে আয়োজিত শোভাযাত্রায় হাসিনার হিংসাত্মক ছবি তুলে ধরা হয়।