চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মঙ্গলবার মন্ত্রিপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক। প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আব্দুল মোতালিফের থেকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট নেওয়া নিয়ে বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করলেন টিউলিপ। বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনঝি টিউলিপ নিজেই এক্সে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে নীতি-বহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
An independent review has confirmed that I have not breached the Ministerial Code and there is no evidence to suggest I have acted improperly.
Nonetheless, to avoid distraction for the Government, I have resigned as City Minister.
Here is my full letter to the Prime Minister. pic.twitter.com/kZeWZfEsei
— Tulip Siddiq (@TulipSiddiq) January 14, 2025
এর পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের অনুরোধ জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (ইনডিপেনডেন্ট অ্যাডভাইজার অন মিনিস্ট্রিয়াল স্ট্যান্ডার্ডস) লাউরি ম্যাগনাসের কাছে চিঠি লিখেছিলেন। মন্ত্রীদের আচার-আচরণ, নীতিনৈতিকতা বিষয়ে ম্যাগনাস যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দিয়ে থাকেন। ওই তদন্ত চলার মধ্যেই পদত্যাগ করলেন টিউলিপ সিদ্দিক। টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার ছিলেন। অর্থ পাচার এবং অবৈধ অর্থের বিরুদ্ধে লড়াই সহ আর্থিক বাজারে দুর্নীতির মোকাবেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
২০২৪ এর আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে ৯টি অবকাঠামো প্রকল্প থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তাতে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে টিউলিপ সিদ্দিকের নাম যুক্ত হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
উল্লেখ্য, পূর্বাচল নিউ টাউনে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল) এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC)। ACC-র ডিরেক্টর আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা হয়েছে।
এই মামলায় হাসিনার কন্যা পুতুলকে প্রথম অভিযুক্ত এবং হাসিনাকে দ্বিতীয় অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের মাধ্যমে রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশে রাজনৈতিক লাভের জন্য জমি বরাদ্দ করেন।প্লটগুলি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামেও বরাদ্দ করা হয়েছিল বলে খবর সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।