ad
ad

Breaking News

TMC Slams

“বিজেপি দলটাই ধর্ষকদের স্বর্গরাজ্য!” আদিবাসী যুবতীকে নিগ্রহে বিজেপি নেতা গ্রেফতার হতেই তোপ তৃণমূলের

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। রাজ্যের বিরোধী দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে শাসক দল।

TMC Slams, Malda BJP Leader Arrested for Attempted Rape

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: রাজ্যে নারী নিরাপত্তা নিয়ে যখন সুর চড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির, ঠিক তখনই দলের এক নেতার বিরুদ্ধে আদিবাসী যুবতীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে চরম অস্বস্তিতে পড়ল বিজেপি। মালদার এক আদিবাসী অধ্যুষিত ব্লকে প্রতিবেশী যুবতীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ওই বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। রাজ্যের বিরোধী দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে শাসক দল (TMC Slams)।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি ওই এলাকায় একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর স্ত্রী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অভিযোগ, বছর চব্বিশের এক আদিবাসী যুবতী ‘বাদনা পরব’ উপলক্ষে ওই নেতার মিলে চাল ভাঙাতে গিয়েছিলেন। মিল ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি যুবতীকে জোরপূর্বক ভেতরে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।

নির্যাতিতা কোনওক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়ি ফিরলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে ঢুকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও দাবি করা হয়েছে। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, “আমি ওই মিল মালিককে দাদু বলে ডাকতাম। তিনি এমন কাজ করবেন ভাবিনি। আমি ওঁর কঠোর শাস্তি চাই।” অভিযোগ পাওয়ার পরেই তৎপরতার সঙ্গে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে (TMC Slams)।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনার কথা উল্লেখ করে গেরুয়া শীবীরকে তীব্র আক্রমণ করেছে শাসক দল। তৃণমূল সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছে, “বিজেপি দলটাই ধর্ষকদের স্বর্গরাজ্য! কুলদীপ সেঙ্গার থেকে ব্রিজভূষণ সিং বিজেপির এই রত্নরা তো ধর্ষকের লিস্টে ছিলই। তাদের দলেরই কার্যকর্তা মালদার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত ব্লকের বিজেপি নেতা এক যুবতীকে শুধু ধর্ষণ করেই থেমে থাকেনি নির্যাতিতাকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেয়। তাকে রাজ্যের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। দেশ থেকে রাজ্য- বিজেপি নিজের দলের দুর্বৃত্তদের সযত্নে লালন পালন করে চলেছে। এরা বর্বর!”

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে আইন-শৃঙ্খলা ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে বিঁধতে যখন ময়দানে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি, ঠিক তখনই খোদ দলীয় নেতার এমন আচরণে মুখ পুড়েছে জেলা নেতৃত্বের। আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক এবং নারী নিরাপত্তা- দুই জায়গাতেই এই ঘটনা বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ঘটনায় জেলা বিজেপি নেতৃত্ব কার্যত রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে রয়েছে (TMC Slams)।